Corona virus attract Iran and died 1 in every 10 minutes

আমেরিকার ফরেন পলিসি ডিপার্টমেন্টের মতে, ইতিহাসের নিকৃষ্টতম গোয়েন্দা তথ্য ব্যর্থতা হলো কোভিড১৯। ইবোলা ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার পরবর্তী কোন মহামারী আসতে পারে, সেটার ব্যাপারে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ বারাক ওবামা আমলে সিআইএ কে সতর্ক করেছিলো।

যেহেতু সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ কেউ না থাকলেও বায়োলজিকাল আক্রমণ নিয়ে ওবামা প্রশাসন সতর্কতা অবলম্বন করতো।

কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন ওবামার আনীত হেলথ পলিসি সহ অনেক পলিসিকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলো। আজ তার খেসারত দিতে হচ্ছে মার্কিন নাগরিকদের।

পরবর্তী মার্কিন নির্বাচনের আগে এর চুলচেরা বিশ্লেষণ হবে অতঃপর জনগন সিদ্ধান্ত নেবেন।

মহাকাব্যিক ব্যর্থতাগুলোঃ

১, হু এর মতে মহামারী ঠেকানোর দুটি প্রধান অস্ত্রের একটি Social distancing যা রোগটিকে ছড়াতে বাধা দেয়। কিন্তু এতে কাজ হবে ৫০%।

২, রোগটিকে পাল্টা আক্রমন করতে হলে টেস্ট করে রুগীদের সনাক্ত করে Isolation করে ফেলা, বাকী ৫০% কাজ।

কিন্তু হোয়াইট হাউস, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ও এফডিএ মিলে ঠিক করলো সন্দেহজনকদের টেস্ট করার দায়িত্ব চিকিৎসকদের হাতে ছেড়ে দেয়া হলো। যেসব রুগীর কেবল শ্বাসকষ্ট আছে তাদেরকে কেবল টেস্ট করা হলো। চিকিৎসকদের মতে, লক্ষন প্রকাশের আগে টেস্ট করলে, সেটা false negative হতে পারে।

ফলে যা হওয়ার তাই হলো। কারন বর্তমান ভাইরাসটির শক্তিশালী স্ট্রেইন টি লক্ষন প্রকাশের আগেই অন্যদের সংক্রমণ করছে। ভাইরাস আক্রান্ত এক বড় অংশের রুগী missing থেকে গেলো। অনেক রুগী লক্ষন নিয়ে ঘুরে বেড়ালো, কেউ পার্টি করলো, কেউ গির্জায় গেলো ইত্যাদি।

অথচ, তাদের সামনে দঃ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ানের উদাহরন ছিলো। ঐ দেশগুলো রাস্তাঘাটে, প্রার্থনালয়ে ও সন্দেহজনক যাকে দেখেছে তার টেস্ট করেছে ও পজিটিভ রুগীদের আইসোলেশন করে ফেলেছে।

  • একবার ভাইরাস পজিটিভ রুগীরা আইসোলেটেড হয়ে গেলে, বাকী জনসংখ্যা নিরাপদ হয়ে যায়। যা করতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে।