বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেমি ডে’র সঙ্গে দুই বছরের জন্য চুক্তি নবায়ন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এরপরই বাফুফের ন্যাশনাল টিম কমিটি এক সভায় বসেছিল কিভাবে ফুটবলকে মাঠে গড়োনো যায়। সামনে বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের ম্যাচ রয়েছে। তাই সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া সকল ফুটবলারদের আগে করোনা পরীক্ষা করা হবে। তারপরই অনুশীলনের অনুমতি দেয়া হবে।
গতকাল বুধবার ন্যাশনাল টিম কমিটির সভা শেষে একথা জানিয়েছেন, কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ। তিনি জানান স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগে প্রত্যেক ফুটবলারকে করোনা পরীক্ষা করানো হবে এবং দুই সপ্তাহের জন্য আইসোলেশনে রাখা হবে তাদের। সব প্রক্রিয়া শেষ হলেই অনুশীলনের ছাড়পত্র দেওয়া হবে। নাবিল আহমেদ বলেন, ‘আগস্টের শুরুতে প্রাথমিকভাবে ৪৪ জন খেলোয়াড়কে ক্যাম্পে ডাকা হবে। ক্যাম্পের জন্য ঢাকা কিংবা ঢাকার বাইরে সুবিধাজনক পরিবেশে জায়গা খোঁজা হচ্ছে। ক্যাম্পের শুরুতেই প্রত্যেক খেলোয়াড়কে করোনা পরীক্ষা করানোর পর দুই সপ্তাহ আইসোলেশনে রাখা হবে। এর পর শুরু হবে দলীয় অনুশীলন।’ তবে ৪৪জনের ক্যাম্প থেকে ফুটবলারের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ক্যাম্পের প্রক্রিয়া শুরু করব। ২০-২২ আগস্ট ক্যাম্প শুরু হবে। কোচ এলে তাকেও আইসোলেশনে থাকতে হবে। ধাপে ধাপে খেলোয়াড় ডেকে তাদের সবাইকে করোনা ভাইরাস টেস্ট করানো হবে। এজন্য আমরা ৪৪জন খেলোয়াড় ডাকব। তারপর সবার টেস্ট করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৩৫ বা ৩০ জনের দল নামিয়ে আনা হবে।’
তবে প্রধান কোচ জেমি ডে প্রস্তাব করেছেন দেশের বাহিরে কোথায় ক্যাম্প করার জন্য। এই প্রসঙ্গে ন্যাশনাল টিম কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ক্যাম্প দেশের বাইরে হওয়াটা নির্ভর করছে সেই সময় করো পরিস্থিতি কেমন থাকবে সেটার ওপর। আমরা কোনো দেশে ক্যাম্প করতে চাইলে সেই দেশ আমাদের নেবে কি না সেটাও দেখতে হবে, আন্তর্জাতিক ফাইটের বিষয়ও আছে- এসব কিছু বিবেচনা করেই দেশের বাইরে ক্যাম্প হবে কি না- সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’