করোনাভাইরাসের জেরে দেড় মাস যাবত বন্ধ হয়ে আছে বৈশ্বিক ক্রিকেট, বাংলাদেশেও ভিন্ন নয়। এই পরিস্থিতির কবে প্রত্যাশিত উন্নতি হবে আর কবে ক্রিকেট ফিরবে মাঠে, তার কোনো ঠিকঠাক নেই। ক্রিকেটারদের মত বাংলাদেশ দলের কোচরাও তাই যার যার ঘরে সময় কাটাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে কোচদের বেতন কাটার কথা ভাবছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বোর্ডের বেতন কাটার এই পরিকল্পনা অবশ্য অযৌক্তিক নয়। খেলাধুলা বন্ধ থাকায় বোর্ডের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। তার চেয়েও বড় কথা, কোচদের কোনো কাজই করতে হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতি কয়দিন চলবে, অনুমান করাও দুঃসাধ্য। জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর কোচরা ফিরে গেছেন নিজ নিজ দেশে। তাদের কাজ শুরুর আগে এখন বাংলাদেশের পাশাপাশি নিজ নিজ দেশের পরিস্থিতিও বিবেচনা করতে হবে। এমন অচলাবস্থা দীর্ঘদিন চললে কোচদের নিয়মিত নির্ধারিত পারিশ্রমিক পরিশোধ করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে; তা বিসিবি কেন, যেকোনো বোর্ডের জন্যই।
ক্রিকেট অপারশেন্স কমিটির চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন পরিচালক আকরাম খান সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাাতকারে বলেন, ‘পরিস্থিতি যখন একটু স্বাভাবিক হবে, আমরা হয়ত কোচদের সাথে চুক্তি ও পারিশ্রমিকের ব্যাপারটি নিয়ে বসব। বছরের পাঁচ-ছয় মাস বন্ধেই কাটিয়ে ফেললে দেখতে হবে দুই পরে উদ্দেশ্য কতটা পূরণ হচ্ছে।’
বাংলাদেশের কোচিং স্টাফের সদস্যদের মধ্যে প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো, পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন ও ফিজিও জুলিয়ান ক্যালেফেতোর সাথে বোর্ডের বার্ষিক চুক্তি। অন্যদিকে স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি, ব্যাটিং কোচ নিল মেকেঞ্জি ও ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকের সাথে নির্দিষ্ট দিনের চুক্তি।