সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ পিছিয়ে গেছে অনির্দিষ্টকালের জন্য। ২০২০ সালে হবে না নিশ্চিত, ২০২১ সালের কখন হবে তাও ঠিক হয়নি। দিনক্ষণ নির্ধারণের জন্য সেপ্টেম্বরে সভায় বসবে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের সময়।
২০১৮ সালে সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল বাংলাদেশে। পরের আসরের আয়োজক হওয়ার কথা ছিল অন্য কোন দেশের। তবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন পরপর দুইবার আয়োজক হওয়ার ব্যবস্থা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কারণে, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বঙ্গবন্ধুর নামে আয়োজনের উদ্দেশ্যে। কাজী মো. সালাউদ্দিন সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনেরও (সাফ) সভাপতি। যে কারণে বাংলাদেশের আয়োজক হওয়ার কাজটি সহজ হয়েছে। ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত পালন হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। এ সময়ের মধ্যে কি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন সম্ভব? এ প্রশ্নের জবাব নেই কারও কাছেই। সবকিছু নির্ভর করবে দেশ করোনাভাইরাসমুক্ত হয়ে কখন স্বাভাবিক হবে তার ওপর। আগামী মার্চের মধ্যে যদি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিবেশ তৈরি না হয় তাহলে আরও পিছিয়ে যাবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর মধ্যে টুর্নামেন্ট না করতে পারলেও, বঙ্গবন্ধুর নামেই হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ।
সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘আগামী বছর আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমরা বঙ্গবন্ধুর নামেই টুর্নামেন্টটি করার চেষ্টা করব। কারণ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর জন্য আমরা এই আসরটির আয়োজক হয়েছি। ১৭ মাচের্রর আগে কিংবা পরে যখনই হোক আমরা “বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ” নামেই এই টুর্নামেন্ট করব।’
এ বছর ১৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় এই ফুটবল টুর্নামেন্ট। করোনাভাইরাসে খেলাধুলা বন্ধ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় দিনদিন এ ভাইরাসটি বেশি বিস্তার হচ্ছে। প্রাণহানিও বাড়ছে। তাই সেপ্টেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সম্ভব না সেটা ধরেই নেয়া হয়েছিল। গত সোমবার সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) কর্মকর্তারা ৭ দেশের সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করে টুর্নামেন্ট এ বছর আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।