রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের স্নায়ুচাপ বেড়েই চলছিল, বিপরীতে বার্সেলোনা সমর্থকদের মনে বইছিল আশার জোয়ার। ৭৯ মিনিট পর্যন্তও যে গেতাফের বিপক্ষে গোল করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে রিয়াল পয়েন্ট হারালেই শিরোপা স্বপ্ন নতুন করে ফিরতো বার্সেলোনা ক্যাম্পে। কিন্তু বার্সা ভক্তদের হতাশা করে, রিয়াল সমর্থকদের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করলেন সের্হিয়ো রামোস। ওই গোলটাই ‘লস ব্লাঙ্কোদের’ এনে দিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট।
বৃহস্পতিবার রাতে গেতাফেকে ১-০ গোলে হারিয়ে রিয়াল পেয়েছে টানা ষষ্ঠ জয়। এতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে ৪ পয়েন্ট এগিয়ে গিয়ে শীর্ষস্থান সুসংহত করার সঙ্গে তারা শিরোপার পথে ফেলেছে বড় ধাপ। বাকি থাকা ৫ ম্যাচে লিড ধরে রাখতে পারলেই ২০১৬-১৭ মৌসুমের পর আবার লিগ জেতার উৎসবে মাতবে মাদ্রিদের অভিজাতরা। তবে স্তাদিও আলফ্রেদো ডি স্তেফানোয় জিততে ঘাম ঝরাতে হয়েছে রিয়ালকে। গেতাফের চমৎকার ফুটবলে দিতে হয়েছে কঠিন পরীক্ষা। যদিও ৭৯ মিনিটে এসে ঠিকই কাজটা করে নিয়েছে স্বাগতিকরা। মাথিয়াস অলিভেরা নিজেদের সীমানায় দানি কারভালহালকে ফাউল করলে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো রিয়াল ছাড়ার পর পেনাল্টির দায়িত্ব পাওয়া রামোস ঠা-া মাথায় সুযোগটা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে নেন রিয়ালকে।
ওই গোলটাই মাদ্রিদের কাবকে এনে দিয়েছে ৩ পয়েন্ট। আগেই ১ পয়েন্ট এগিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার থেকে এখন তারা এগিয়ে ৪ পয়েন্টে। তাতে শিরোপার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হলেও পা মাটিতেই রাখছেন কোচ জিনেদিন জিদান, ‘আরও তিনটি পয়েন্ট, আরও তিনটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। আমরা জিতেছি ঠিকই তবে এর চেয়ে বেশি কিছু না। আমাদের জন্য কোনও কিছুই বদলে যায়নি। আরও পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাকি আছে। আমরা কিন্তু কিছুই জিতিনি, যতক্ষণ না লড়াই শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা কিছুই বলতে পারি না।’