জীবনের সবচেয়ে জরুরী কথাটাই হয়তো স্যার শেষদিন পড়ানোর সময় আমাকে জানিয়ে দিয়েছিলেন- ‘যখন তোমার সামনে একটা দরজা বন্ধ হয়ে যাবে,সাথে সাথে পেছনে তাকাবে।দেখবে,আরো দশটা দরজা তোমার জন্য খুলে গেছে’ ধন্যবাদ, স্যার। হ্যাঁ, ঠিক তাই।আমি বলবো,’Nothing is the END.There’s no last step.It’s only the last door to next step’ এটা বলা হয়,পানি ছাড়া তুমি ৩ দিন বাঁচতে পারো।আমি বলবো, সেই তিনদিনই কিন্তু যথেষ্ট অন্য একটা পানির উৎস খুঁজে নেওয়ার জন্য।

কি?মরে যাওয়া এতই সোজা?তাই আশা হারানোর পর ধ্বংস হওয়ায় আগে যে ৩ সেকেন্ড সময় পাবে সেটুকুই কিন্তু যথেষ্ট সময় নতুন আশার আলো জ্বালিয়ে নেওয়ার জন্য। মনে রেখো,মরুভূমির শেষ খেজুর গাছটি কিন্তু এখনো রোদে জ্বলে যায়নি। বিষাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করার কি প্রয়োজন? কেও সুইসাইড করবে জানলে আমি তাকে বলবো,তুমি তো তোমার জীবনটা ধ্বংসই করে দিচ্ছো,এটা আমাকে দাও।যা আজ তোমার কাছে মূল্যহীন, আমার জন্য অনেক দামী।কারণ আজ তোমার মতো অনেক তরুন প্রান প্রয়োজন, আরোও অনেক প্রান রক্ষার জন্য। বসে পরার আগে আশেপাশে একটু তাকাও তো,ভর দিয়ে দাড়ানোর মতো কিছু একটা পেয়েই যাবে।পালানোর কি দরকার?আজকের পৃথিবীটা তোমার বিরুদ্ধে গেছে,কালকের পৃথিবীটা তোমার হাতের মুঠোয় আসবে।একটা বিষয়ে সবসময় সতর্ক থাকবে,অর্থহীন কারণে কখনো মারা যাবে না।রোগ-শোক,দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার জন্য তোমাকে জীবন দেয়া হয়নি।কিছু একটা করে তবে মরো।আর যতদিন মারা যাওয়ার উপযুক্ত কারণ খুঁজে না পাও….মরো না

ইত্তেফা জাহান জীম
শহীদ সোহরাওয়ার্দী
মেডিকেল কলেজ,ঢাকা