করোনাভাইরাসের প্রকোপ এখনও শেষ হয়নি। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় এখনও দলীয় অনুশীলনের ব্যাপারে ভাবছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আপাতত ব্যক্তিগত অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিসিবির স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত ১৯ জুলাই থেকে ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেছেন ১০ ক্রিকেটার। সংখ্যাটা এখন ১৩ তে। তবে সহসাই যে দলীয় অনুশীলন বা ম্যাচ আয়োজন হচ্ছে না, চোখ-কান বুজেই সেটা বলে দেওয়া যায়। বিসিবির দৃষ্টিও এ বছরের শেষের দিকে। পূর্ব নির্ধারিত সময় ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন করতে চায় বিসিবি।
এর আগেই অবশ্য ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর করার ইচ্ছা বিসিবির। কিন্তু পরিস্থিতি ভালো না হওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদার এই আসরটি নিয়ে চিন্তিত বিসিবি। আগস্টে অবস্থা ভালো হলে প্রিমিয়ার লিগ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়রারম্যান জালাল ইউনুস। অবস্থা ভালো না হলে এই আসরটির ভাগ্য অন্ধকারে পড়ে যাবে। এই দুটি আসরের ভাগ্য নির্ধারণ হবে ঈদুল আযহার পর। গত মার্চে এক রাউন্ডের পর স্থগিত হয়ে যাওয়া প্রিমিয়ার লিগ শুরু করা নিয়ে সংশয় থাকায় বিপিএল আয়োজনের ব্যাপারে বেশি জোর দিচ্ছে বিসিবি।
জালাল ইউনুস বলেন, ‘দ্রুতই আমরা আলোচনায় বসব। ঈদের পর বিসিবির ওয়ার্কিং কমিটির একটি সভা আছে। বিপিএল নিয়ে আলোচনা করব কখন করা যায়। বিপিএল করার সময়টা হাতে আছে। কারণ এটার জন্য নির্ধারিত সময় ডিসেম্বর-জানুয়ারি। চার মাস হাতে থাকবে। আমরা চেষ্টা করব বিপিএল ঠিক সময়েই করতে।’
বিপিএলের সপ্তম আসরে ছিল না কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিপিএলের সবগুলো দলের তত্ত্বাবধানে ছিল বিসিবি। নতুন নাম দেওয়া হয়েছিল দলগুলোর। তবে অষ্টম আসরে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ইচ্ছা করলে পুরনো নামে দল গঠন করতে পারবে।