বয়সী বটের নিচে সকাতর প্রার্থনারত ছিল
এক নবীন কিশোর
নিতান্ত বৌদ্ধিক স্বভাবে।
নরম সবুজ ঘাসে তখনো সতেজ ছিল
শারদীয় শিশির।
প্রতিবেশী নদী আর বেশুমার শালিকে
ধ্যানের নিখুঁত আঞ্জাম দিয়েছিল চরাচর।
গভীর কৌতুহলে তারে নিরীক্ষা করেছিল
এক জোড়া নিরীহ শালিক।
নিরপরাধ কিশোরের প্রার্থনা দেখছিল
বিহঙ্গ সুলভi বিষ্ময়ে।
তারপর উড়ে যাবার আগে
সরল কিশোরকে দিয়ে গেল বৃথা সান্ত্বনা-
“এখানে কৃতকর্মের মার্জনা হয়;
অকৃতকর্মের মার্জনা হয় না”।

১৮ শ্রাবণ, ১৪২৭
বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ