Shadow of sad man hanging suicide. light and shadow

আসলে সুইসাইডকে মহিমান্বিত করলে সুইসাইড বাড়ে। এজন্যই সালমান শাহ মারা যাওয়ায় সুইসাইড রেট বেড়ে গিয়েছিলো। কেননা বিখ্যাত মানুষ এই কর্মটা সম্পাদন করেছে।( ধারণা করা হয় হত্যা করা হয়েছিলো তারপরও ওই সময় সবাই ভাবছিলো এটা সুইসাইডই ছিলো)

এমনকি যারা সুইসাইড করেছে তাদের নিয়ে বেশি কথা বললেও সুইসাইড বাড়ে।

এভাবে এক সময়ে বিস্ফোরণ ঘটে। দেখা যায় যারা আত্মহত্যা করছে তারা অধিকাংশই টিনেজ, তারা যে সমস্যায় পড়েছে, তার অন্যান্য সমাধান থাকলেও তারা এই পথ বেছে নিয়েছে।
কারণ সে আশেপাশে দেখছে সমস্যা সমাধানের সব থেকে সহজ উপায় সুইসাইড 😥আগে ব্যাপারটা ছিলো, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় জাতীয় একটা সুইসাইড নোট লিখে যেতো মানুষ। এখন সেটা হয় না, অনলাইন অ্যাকসেস থাকা মানুষেরা সুইসাইড করার আগে একটা শেষ ফেসবুক পোস্ট দিয়ে যায় বা একটা ইঙ্গিত দেয়।

তাতে যেই ছেলে বা মেয়ের আচরণে কষ্ট পেয়ে সুইসাইড করেছে তার একটা বাজে ইমেজ তৈরি করা হয়। ফলে এ পরিস্থিতিতে যে-কোনো সাধারণ মানুষের সহানুভূতি থাকে সুইসাইড করা লোকটির প্রতি। ফলে যাকে ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, সে আসলেই ভিলেন, সহজেই লোকে তা বিশ্বাস করে বসে থাকে।

অথচ সে হয়তো নিষ্পাপ না, কিন্তু ভিলেনও না। সে রক্তমাংসের মানুষ। তার সীমাবদ্ধতা আছে, ঠিক আপনার যেমন!!

যে কোন সুইসাইড আসলে নিজেই একটা বিজ্ঞাপন। আরেকটা সুইসাইড করতে সে আগ্রহী করে। কিভাবে করে আসলে? যেমন ঝিনাইদহ জেলায় ঠিক একই কারণে সুইসাইড রেট বেশি বা শ্রীলঙ্কার কথা আনতে পারি …
আলিফ আল আজাদ
বোটানি বিভাগ, 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।