চিংড়ির বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য ( সংক্ষিপ্ত)। ** মনে রাখুন চিংড়ির কথিত মাথা মাথা নয় এবং কথিত লেজ লেজ নয়। —————–

চিংড়ির তথাকথিত মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত শরীরের বাহিরে ৩টি অংশ আছে। এগুলো হল সিপালোথোরাক্স ( মাথা ও গলা একত্র হয়ে গিয়েছে) , উদর ( এবডোমেন) ও লেজ। এই ৩ টি অংশে ১৯ টি খন্ডে ১৯ জোড়া উপাঙ্গ আছে। চিংড়ি বিষয়ে কাজ করতে হলে এগুলো জানা বা চেনা দরকার। মনে রাখা দরকার চিংড়ির যে অংশকে অনেকে মাথা বলেন এটা মাথা নয়। চিংড়ির মাথা ও গলা একত্রে মিলে যাওয়ার ফলে মাথা ও গলার একত্রে নাম হল মাথা-গলা বা সিপালোথোরাস্ক ( সিপালো অর্থ হেড বা মাথা এবং থোরাক্স অর্থ গলা)।

এদিকে আমরা চিংড়ির তথাকথিত মাথার পরের যে অংশটাকে লেজ বলি সেটা লেজ নয়। এটার নাম হল ইংরেজিতে এবডোমেন এবং বাংলায় উদর। চিংড়ির শরীরের শেষ প্রান্তে একটি সুচালো দন্ড ও এর সাথে পাখার মত যা থাকে তাই হল লেজ। সুতরাং, আমরা চিংড়ির যে অংশকে মাথা বলি তা মাথা নয় এবং যে অংশকে লেজ বলি তা লেজ অবশ্যই নয়। চিংড়ির পৃথক কোন মাথা নেই।

চিংড়ির তথাকথিত মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত উপাঙ্গগুলো হল- এন্টিনিউল (১ জোড়া) , এন্টিনা(১ জোড়া), মেক্সিলিইল(১ জোড়া), মেক্সিলা (১জোড়া), মেন্ডিবল( ১ জোড়া), মেক্সিলিপেড( ৩ জোড়া), পা বা পেরিউপড( ৫ জোড়া), সাঁতার কাটার পা বা প্লিউপড( ৫ জোড়া) ও টেলশন বা লেজ বা পুচ্ছ পদ( ১ জোড়া)।