প্রথমার্ধেই জোড়া গোল উপহার দিলেন সের্হিও রামোস। সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে উয়েফা নেশন্স লিগে গোলের রেকর্ড গড়লেন আনসু ফাতি। দ্বিতীয়ার্ধে আরও এক গোল করে ইউক্রেনের বিপক্ষে আধিপত্য ধরে রাখলো স্পেন।

মাদ্রিদের আলফ্রেদো দি স্তেফানো স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে ‘এ’ লিগের ৪ নম্বর গ্রুপের ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছে স্পেন। উয়েফা নেশন্স লিগের এবারের আসরে এটি তাদের প্রথম জয়। প্রথম ম্যাচে জার্মানির সঙ্গে ১-১ ড্র করেছিল লুইস এনরিকের দল।

জার্মানির মাঠ থেকে শেষ মুহূর্তের গোলে ড্র নিয়ে ফেরা স্পেন তৃতীয় মিনিটেই রামোসের সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায়। ক্রিভতসোভ ডি-বক্সে ফাতিকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা।

সবচেয়ে কম বয়সী (১৭ বছর ৩১১ দিন) খেলোয়াড় হিসেবে নেশন্স লিগে শুরুর একাদশে খেলতে নামা ফাতির সপ্তদশ মিনিটের প্রচেষ্টা দূরের পোস্ট দিয়ে বেরিয়ে যায়। একটু পর তার বাইসাইকেল কিক এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়।
চার মিনিটের মধ্যে আরও দুই গোল করে প্রথমার্ধেই চালকের আসনে বসে যায় স্পেন। ২৯তম মিনিটে দানি ওলমোর ক্রসে রামোসের হেড গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে জাল খুঁজে পায়।

৩২তম মিনিটে সের্হিও রেগিলনের ছোট পাস ধরে এক টোকায় একটু এগিয়ে জায়গা করে নিয়ে ডান পায়ের বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন ফাতি।

ইউক্রেনের রক্ষণে চাপ ধরে রেখে ৬২তম মিনিটে জালে বল জড়ান মরেনো। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোল হয়নি। ৭৭তম মিনিটে ওলমোর সঙ্গে একবার বল দেওয়া নেওয়া করে বদলি নামা অস্কার রদ্রিগেজের শট গোলরক্ষকের গ্লাভস ছুঁয়ে ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। এর পরপরই গোলমুখ থেকে ফাতির প্রচেষ্টা ফেরান গোলরক্ষক।

৮৪তম মিনিটে রেগিলনের ফ্রি কিক এক ডিফেন্ডার হেড করার পর ডি-বক্সেই পেয়ে যান মরেনোর বদলি নামা ফেররান তরেস। দারুণ শটে স্কোরলাইন ৪-০ করেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড। ২০০৬ বিশ্বকাপে এই ব্যবধানেই স্পেনের কাছে হেরেছিল ইউক্রেন।

একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে স্পেন। প্রথম হারের স্বাদ পাওয়া ইউক্রেন ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় জার্মানি। সুইজারল্যান্ডের পয়েন্ট ১।